বিনোদন     সংবাদ

হলিউড

রিমেক ছবিতে এমা

১৬ মার্চ ২০১৭, ০০:০৫  

এমাবিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট প্রথম এসেছিল ১৯৯১ সালে। ওয়াল্ট ডিজনির এই চলচ্চিত্র দর্শক-সমালোচক সবার মন জিতে নিয়েছিল। কোটি কোটি ডলারের ব্যবসাও করেছিল। সেই সঙ্গে ছবিটির জন্য জুটেছিল অস্কার মনোনয়নও। অ্যানিমেশন ছবি হিসেবে এটা ছিল যুগান্তকারী সাফল্য।
তারপর সময় পাল্টেছে অনেক। মানবীর সঙ্গে প্রাণীর প্রেমের সেই কাহিনির আবেদন এতগুলো বছর পরও অটুট আছে। তাই তো পরিচালক বিল কনডন ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি প্রযুক্তিতে ছবিটির পুনর্নির্মাণ করেছেন। হ্যারি পটারখ্যাত এমা ওয়াটসন এই নতুন বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট-এর নায়িকা বেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। অভিশপ্ত ও শীতল জন্তুর ভূমিকায় আছেন ড্যান স্টিভেনস। ছবির বাকি অভিনয়শিল্পীরা হলেন কেভিন ক্লিন, এমা থম্পসন, ইয়ান ম্যাককেলেন, অড্রা ম্যাকডোনাল্ড, স্ট্যানলি টুসি ও এওয়ান ম্যাকগ্রেগর।
রিমেক করার যুক্তিটা কী? গল্পটা আসলেই রোমান্টিক, আর সাংঘাতিক সুন্দর। তার ওপর নস্টালজিয়া বা হারানো দিনের স্মৃতি ফিরে পেতে দর্শকের আগ্রহের বিষয়টিও নির্মাতারা বিবেচনায় নিয়েছেন।
ডিজনি কর্তৃপক্ষ আরও কিছু বিখ্যাত অ্যানিমেশন ছবির লাইভ-অ্যাকশন রিমেক করার পরিকল্পনা করেছে। যেমন মুলান, দ্য লিটল মারমেইড, আলাদিন, দ্য লায়ন কিং ইত্যাদি। বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট পুনর্নির্মাণের ব্যাপারটাও সেই চিন্তারই পরিণাম। ছবিটির পটভূমি ১৭৪০ সালের ফ্রান্স। বেল নামের এক বুদ্ধিদীপ্ত, স্বাধীনচেতা তরুণীর চমকপ্রদ অভিযাত্রার গল্প। একটা জন্তু তার দুর্গে মেয়েটিকে আটকে রেখেছিল। ভয় পাওয়ার বদলে বেল ওই প্রাণীর সঙ্গে রীতিমতো বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেলে। তার ভয়ংকর অবয়বের অন্তরালে যে অনুভূতিপ্রবণ হৃদয় এবং একজন সত্যিকারের রাজপুত্রের সত্তা রয়েছে, মেয়েটি তা বুঝতে পেরেছিল।
থ্রিডির কল্যাণে এবারের ছবিটির প্রতিটি জিনিস বা চরিত্র আরও বেশি জীবন্তরূপে দৃশ্যমান। বেল নামের মেয়েটির সাহসী উপস্থাপন সেই ১৯৯১ সালেই সাড়া জাগিয়েছিল। এবারও সেটা অটুট রাখা হয়েছে। কেবল পোশাকে নয়, সমগ্র অবয়বে তার নির্ভীক চেতনার বহিঃপ্রকাশ।
আর এই চরিত্রে এমা ওয়াটসনের বিকল্প কোথায়? জাতিসংঘের নারীবিষয়ক এই দূত তাঁর অন্তর্ভুক্তিকে সার্থক করেছেন।
বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট ছবিটি নিয়ে কোথাও কোথাও আপত্তি উঠেছে। যেমন মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট কোনো কারণের উল্লেখ ছাড়াই সে দেশে ছবিটি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। রাশিয়ার একজন আইনপ্রণেতাও গত সপ্তাহে ছবিটির ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে আগামীকাল শুক্রবার ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। সেদিন থেকে ঢাকার দর্শকেরাও ছবিটি দেখতে পাবেন রাজধানীর স্টার িসনেপ্লেক্সে।
আশিস আচার্য
এপি ও বিবিসি অবলম্বনে

 

পাঠকের মন্তব্য (১)

  • Faheem

    Faheem

    Love for Emma
     
মন্তব্য করতে লগইন করুন