দূর পরবাস     সংবাদ

শিশুদের কোলাহলে ডেনমার্কে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদ্‌যাপন

শাকিল শাহরিয়ার, কোপেনহেগেন (ডেনমার্কে) থেকে | ২০ মার্চ ২০১৭, ১৪:২১

কোপেনহেগেনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বর্ণিল সাজে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে। ডেনমার্কের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।

ডেনমার্কে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের শিশুকিশোরেরা সকালে দূতাবাস চত্বরে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ভিড় জমায়। প্রায় ৫০ জনের মতো শিশু এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ছবি আকার ফাঁকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি শিশুদের মুগ্ধ করে।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শেষে ডেনমার্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত ও তার সহধর্মিণী রুবি পারভীন অনুষ্ঠানে আসা শিশুকিশোরদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন।
কোপেনহেগেনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যঅনুষ্ঠানে শিশুরা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামার সাইদের মুখে সম্মুখ সমরের গল্প শুনে শিহরিত হয়। শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দূতাবাসের প্রথম সচিব শাকিল শাহরিয়ার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত তাঁর বক্তব্যে বাঙালির জাতীয়তাবোধের চূড়ান্ত স্বপ্নপূরণে জাতির পিতার অসীম আত্মত্যাগের কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন। একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিতে নতুন প্রজন্মের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে একে আলোকিত করার জন্য কোমলমতি শিশুকিশোরদের তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং একইসঙ্গে আশা প্রকাশ করেন, এদের হাত ধরেই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
কোপেনহেগেনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যদূতাবাসে তৈরি করা শিশুদের পছন্দের বিভিন্ন বাংলাদেশি খাবারের পরিবেশনায় মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

পাঠকের মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে লগইন করুন